অর্থডক্স চা।

গতানুগতিক সহজলভ্য ব্ল্যাক-টি বা কালো চায়ের মতো নয় এই চা। ব্ল্যাক -টি থেকে অধিক পরিমাণে উন্নত এ অর্থডক্স চা। এ বিশেষ ধরনের চা পান করার সময় পাতার সতেজ ঘ্রাণ অটুট থাকে পরিপূর্ণভাবে। হারিয়ে যাওয়া সুস্বাদু সুগন্ধি অর্গানিক অর্থোডক্স চা আজকাল আর পাওয়া যায়না তেমন। চা শিল্প বিশেজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ করে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অর্থোডক্স চায়ের প্রস্তুত প্রণালী ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অত্যন্ত সাধারণ নিয়মে প্রস্তুত হওয়ায় এই চায়ের নিজস্ব প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগত স্বাদ, গন্ধ ও গুণগত মান অক্ষুন্ন থাকতো। সবুজ পাতা চয়ন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সমস্ত ধাপ সম্পাদন করা হতো অত্যন্ত নমনীয়ভাবে সতর্কতার সঙ্গে। বাঁশের চাংয়ে পাতলা করে সবুজ পাতা বিছিয়ে রাখা হতো এবং স্বাভাবিক প্রাকৃতিক বাতাসে ওয়েদারিং সম্পন্ন করে রোলিং টেবিলে ৩০-৪০ মিনিট রোল করে এরপর রোটারি শিফটারের মাধ্যমে টিপ আলাদা করে ফার্মেন্টি ফ্লোরে ৬০-৮০ মিনিট রাখার পর  ড্রায়ারে ফায়ারিং করা হতো। চুলি­তে কয়লা বা কাঠ ব্যবহার করে তৈরি এই চা খুবই স্বাদের এবং সুগন্ধযুক্ত ছিল। উল্লেখ্য যে, ২০০৫ সালে লন্ডনের হেরাল্ডে এক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের এই চা বিশেষ প্রশংসা অর্জন করে।

 

Pin It on Pinterest